ইরানের মিসাইল হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। প্রায় ৪০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পর পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যেতে শুরু করেছে।
খবর অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার ব্রিটেন নিয়ন্ত্রিত সামরিক ঘাঁটি মার্কিন বাহিনীকে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন। এর ফলে যুদ্ধের সম্ভাবনা আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, ছোড়া মিসাইলের একটি প্রতিহত করা গেলেও অন্যটি দ্বীপে আঘাত হানে।
ইজরায়েল ইরানের প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা চালানোর পরই পাল্টা আঘাত হিসেবে এই অভিযান চালায় তেহরান।
ইরানের সামরিক মুখপাত্র জেনারেল আবুলফজল শেখারচি সতর্ক করে বলেছেন, শত্রু দেশগুলির কোনও পর্যটন কেন্দ্র বা বিনোদন এলাকা আর নিরাপদ নয়।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে এবং একাধিক যুদ্ধজাহাজ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, দিয়েগো গার্সিয়ার হামলা প্রমাণ করেছে যে সংঘাত এখন আঞ্চলিক সীমা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।