আরামবাগে ত্রিমুখী লড়াইয়ের ইঙ্গিত, ‘খেলা ঘোরানোর’ ডাক প্রাক্তন আইসি সুকোমল কান্তি দাসের

By,
Admin

ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই চড়ছে উত্তাপ Arambagh-এর রাজনৈতিক অঙ্গনে, আর সেই উত্তেজনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন প্রাক্তন আইসি Sukomal Kanti Das; দীর্ঘদিন প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার অভিজ্ঞতা সঙ্গী করে এবার তিনি সরাসরি রাজনীতির ময়দানে নামার ঘোষণা দিয়েছেন এবং একাধিক সভা-সমাবেশ থেকে ‘খেলা ঘোরানোর’ বার্তা দিয়ে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন রাজ্যের দুই প্রধান শক্তি Trinamool Congress এবং Bharatiya Janata Party-এর বিরুদ্ধে; তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে সাধারণ মানুষের বঞ্চনার কথা—তিনি অভিযোগ করেন, বছরের পর বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা দলগুলি উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তার সঠিক প্রতিফলন দেখা যায়নি, বরং দুর্নীতি, কর্মসংস্থানের অভাব, কৃষকদের আর্থিক সংকট এবং স্থানীয় পরিকাঠামোর দুর্বলতা আরও প্রকট হয়েছে; জনসভায় তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “মানুষ আর কথায় বিশ্বাস করছে না, তারা কাজ দেখতে চায়, তাই এবার সময় এসেছে খেলা ঘোরানোর”, আর এই মন্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।প্রাক্তন এই পুলিশ আধিকারিকের হঠাৎ সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশকে ঘিরে শুরু হয়েছে চাপানউতোর; শাসকদলের তরফে দাবি করা হয়েছে, জনপ্রিয়তার অভাবেই তিনি নতুন করে রাজনৈতিক জমি খোঁজার চেষ্টা করছেন এবং তাঁর প্রভাব খুব সীমিত থাকবে, অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের বক্তব্য—শুধু প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা দিয়ে ভোটের ময়দানে সাফল্য পাওয়া যায় না, তার জন্য দরকার সুস্পষ্ট আদর্শ ও শক্ত সংগঠন; তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিন কাজ করার সুবাদে সুকোমল কান্তি দাসের একটি ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, যা বিশেষ করে গ্রামীণ ও আধা-শহুরে ভোটারদের মধ্যে কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ অনেকেই এখনও তাঁর প্রশাসনিক সময়ের কাজ ও উদ্যোগের কথা মনে রেখেছেন; পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগাযোগ এবং বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে তাঁর সক্রিয়তা ভবিষ্যতে একটি বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে বলেও মত বিশেষজ্ঞদের।ইতিমধ্যেই তাঁর সমর্থনে কিছু স্থানীয় সংগঠন ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি নজরে পড়ছে, যা ধীরে ধীরে বড় আকার নিতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের অনুমান; এই পরিস্থিতিতে আরামবাগের লড়াই ক্রমশ ত্রিমুখী রূপ নিচ্ছে, যেখানে তৃণমূল ও বিজেপির পাশাপাশি নতুন মুখ হিসেবে সুকোমল কান্তি দাসও একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে উঠছেন; ফলে ভোটের ফলাফলে শেষ পর্যন্ত কোন সমীকরণ প্রাধান্য পায়, তা নিয়ে এখনই নিশ্চিত কিছু বলা না গেলেও এটা স্পষ্ট যে, এবারের নির্বাচন আরামবাগে একেবারেই একঘেয়ে হবে না, বরং নতুন সমীকরণ, নতুন চ্যালেঞ্জ এবং ‘খেলা ঘোরানোর’ প্রতিশ্রুতিতে জমে উঠতে চলেছে এক হাই-ভোল্টেজ রাজনৈতিক লড়াই।

সাম্প্রতিক খবর
তিনশো বছরের ঐতিহ্য, ভিন্ন প্রতিমা আর মাছ ভোগে নজর কাড়ছে রাজপুরের বাসন্তী পুজো
অজানা রাসায়নিক ভর্তি জারে আগুন, বর্ধমান-কাটোয়া সড়কের ধারে আতঙ্ক
সূর্যের মেষে প্রবেশে বদলাবে ভাগ্যচক্র! প্রমোশন, বেতনবৃদ্ধি ও সাফল্যের জোয়ার—এই ৪ রাশির জীবনে বড় মোড়
স্বপ্ন এখন নিয়ন্ত্রণের পথে! ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিং বদলে দিচ্ছে ঘুমের বিজ্ঞান, খুলছে নতুন সম্ভাবনার দরজা