বসন্তকাল মানেই নতুন জাগরণ, নতুন উৎসাহ। বিশেষ করে বসন্ত পঞ্চমী তে শিক্ষার্থীদের জন্য জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধির প্রতিকার অনেকেই অনুসরণ করেন। জানলে আনন্দ হোক, কিছু সহজ প্রতিকার মেনে চললেই পড়াশোনার বাধা কাটিয়ে বুদ্ধি তীক্ষ্ণ করা সম্ভব।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দিনে প্রাকৃতিক ও আধ্যাত্মিক উপায় মেনে চললে মস্তিষ্কের শক্তি বৃদ্ধি পায়। এর মধ্যে একটি সহজ উপায় হলো সকালবেলায় সূর্যদেবকে প্রণাম করা এবং হালকা ব্যায়াম করা। এটি রক্তসঞ্চালন বাড়ায়, মনকে সতেজ করে এবং শিক্ষার প্রতি মনোযোগ বাড়ায়।খাদ্যাভ্যাসেও কিছু পরিবর্তন জরুরি। বসন্ত পঞ্চমীতে হালকা, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ যেমন দুধ, বাদাম, চিরকুট বা মৌসুমের ফল মস্তিষ্ককে চাঙ্গা রাখে। বিশেষ করে বাদাম, শুকনো ফল এবং মৌসুমের শস্য নিয়মিত খেলে স্মরণশক্তি বাড়ে এবং একাগ্রতা বৃদ্ধি পায়।ছোট ছোট আধ্যাত্মিক চর্চাও ফলদায়ক। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এই দিনে কাগজে লেখার বা শ্লোক পাঠের মাধ্যমে মনকে স্থির রাখা পড়াশোনার জন্য সহায়ক। নিয়মিত এই অভ্যাস মানসিক চাপ কমায়, মস্তিষ্ককে ফোকাস রাখে এবং জ্ঞানার্জনের পথে বাধা কমায়।ছাত্রছাত্রীদের উচিত বসন্ত পঞ্চমীতে পড়াশোনার সময় বিভ্রান্তি কমানো এবং ধ্যান চর্চা করা। ধ্যান করলে মন শান্ত হয়, স্মৃতিশক্তি বাড়ে এবং নতুন বিষয় শেখার ক্ষমতা উন্নত হয়।সংক্ষেপে, বসন্ত পঞ্চমীর এই সহজ প্রতিকারগুলো অনুসরণ করলে শিক্ষার্থীরা শুধু পড়াশোনায় উন্নতি করবে না, বরং বুদ্ধি ও মননশীলতায়ও তীক্ষ্ণ হয়ে উঠবে। মেধা বিকাশ, মনোযোগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষার পথে সফলতার জন্য এই সময়টিকে কাজে লাগানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।