উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন সম্প্রতি বিশ্বমঞ্চে ইরানের উদাহরণ তুলে বলেছেন, একটি দেশের নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক প্রভাবের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র অপরিহার্য। তিনি জানান, শুধু কূটনৈতিক চাপ বা আলোচনা দিয়ে কোনও দেশ তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না; শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যম হিসেবে পারমাণবিক সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ।কিমের ভাষ্য অনুযায়ী, যারা পারমাণবিক ক্ষমতা অর্জন করেছে, তারা কেবল নিজেদের আত্মরক্ষা নয়, বরং কূটনৈতিকভাবে তাদের অবস্থান দৃঢ় করতে সক্ষম। এই মন্তব্যগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি সরাসরি হুঁশিয়ারি হিসেবে ধরা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান আবারও বৈশ্বিক রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে, কারণ পারমাণবিক অস্ত্রের শক্তি শুধু দেশকে সুরক্ষা দেয় না, বরং আন্তর্জাতিক চাপ এবং আলোচনায় শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করে।বিশ্লেষকরা আরও মনে করছেন, কিমের বক্তব্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, পারমাণবিক সক্ষমতা ছাড়া কোনো দেশই সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। এটি উত্তর কোরিয়ার কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করার এক উপায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।