স্বাধীনতার অগ্নিযোদ্ধা নেতাজি: জন্মদিনে ফিরে দেখা তাঁর আপসহীন লড়াই

By,
Admin

আজ ২৩ জানুয়ারি, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৯তম জন্মদিন। দেশজুড়ে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হচ্ছে সেই বিপ্লবী নেতাকে, যাঁর সাহস, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগ ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনকে নতুন দিশা দেখিয়েছিল। সময় বদলালেও নেতাজির আদর্শ আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক বলে মনে করছেন ইতিহাসবিদ ও সাধারণ মানুষ।১৮৯৭ সালের এই দিনেই ওড়িশার কটকে জন্মগ্রহণ করেন সুভাষচন্দ্র বসু। ছোটবেলা থেকেই মেধা ও নেতৃত্বগুণে সকলের নজর কাড়েন তিনি। উচ্চশিক্ষার পর আইসিএস পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হলেও দেশের দাসত্বের শৃঙ্খল তাঁকে শান্ত থাকতে দেয়নি। ব্রিটিশ সরকারের চাকরি ত্যাগ করে তিনি ঝাঁপিয়ে পড়েন স্বাধীনতা আন্দোলনে।কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও আন্দোলনের কৌশল নিয়ে মতভেদ তৈরি হয়। অহিংস আন্দোলনের পাশাপাশি সশস্ত্র সংগ্রামের প্রয়োজনীয়তার কথা জোরের সঙ্গে তুলে ধরেন নেতাজি। তাঁর বিশ্বাস ছিল, শক্তির মাধ্যমেই পরাধীনতা ভাঙা সম্ভব। এই আদর্শ থেকেই গড়ে ওঠে আজাদ হিন্দ ফৌজ, যা স্বাধীনতার লড়াইয়ে এক নতুন অধ্যায় সূচনা করে।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নেতাজি আজাদ হিন্দ সরকার গঠন করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের স্বাধীনতার প্রশ্নকে তুলে ধরেন। তাঁর নেতৃত্বে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের নতুন নামকরণ হয় শহিদ ও স্বরাজ। শৃঙ্খলা, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেম—এই তিনটি ছিল তাঁর নেতৃত্বের মূল ভিত্তি।নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে আজও নানা প্রশ্ন ও রহস্য রয়ে গেলেও তাঁর আদর্শ কখনও ম্লান হয়নি। আত্মসম্মান, সাহস ও নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমের যে শিক্ষা তিনি রেখে গেছেন, তা আজও তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে।নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন মানে শুধু অতীতকে স্মরণ করা নয়, বরং স্বাধীনতা ও আত্মত্যাগের মূল্যবোধকে নতুন করে উপলব্ধি করার দিন। তাঁর জীবন ও সংগ্রাম চিরকালই ভারতবাসীর প্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।

সাম্প্রতিক খবর
কোর্টে তারকাদের দাপট, বাইরে জোকোভিচ-পত্নী বিতর্কে উত্তাল অস্ট্রেলিয়ান ওপেন
রোববারই বাগদান অদ্রিজার—কবে চার হাত এক হবে অভিনেত্রীর? জানুন হবু বর সম্পর্কে সবকিছু
গোল নেই, উত্তেজনা ভরপুর—সুন্দরবন বনাম হাওড়া-হুগলি ড্রয়ে শেষ চার আরও দূরে?
ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের সাক্ষী হয়েই ভেঙে পড়েছিলেন পলাশ? বন্ধুর বিস্ফোরক দাবিতে ফের তোলপাড় পলাশ