ভোট প্রক্রিয়াকে আরও নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত করতে এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-কে কাজে লাগাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে বসানো হচ্ছে ওয়েবকাস্টিং-সক্ষম এআই ক্যামেরা, যা বুথের ভিতরের পরিস্থিতি রিয়েল টাইমে পর্যবেক্ষণ করবে।
কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা কন্ট্রোল রুম থেকে এই ক্যামেরাগুলির মাধ্যমে সরাসরি নজরদারি চালানো হবে। কোনো ধরনের ভিড়, অস্বাভাবিক চলাচল বা অনিয়ম ধরা পড়লেই সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করবে।
নজরদারির এই ব্যবস্থাকে বহুস্তরীয় করা হয়েছে। প্রথমে বুথ স্তরে, তারপর জেলা প্রশাসন, এরপর রাজ্য নির্বাচন দপ্তর এবং শেষে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে মনিটরিং চলবে। এই পুরো ব্যবস্থার মাধ্যমে ভোটগ্রহণের সময় শৃঙ্খলা বজায় রাখাই মূল লক্ষ্য।
প্রতিটি বুথে নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদেরও মোতায়েন করা হবে। তাদের উপস্থিতি এবং এআই-ভিত্তিক নজরদারি মিলিয়ে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করতে চাইছে কমিশন।
তবে প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ একে স্বচ্ছ নির্বাচনের দিকে বড় পদক্ষেপ বলছেন, আবার কেউ প্রযুক্তির উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।