দীর্ঘদিন পর্দার আড়ালে থাকার পর এবার নতুন ভূমিকায় সামনে এলেন অভিনেত্রী শর্বরী। যাদবপুর কেন্দ্র থেকে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামার জল্পনা ঘিরে ইতিমধ্যেই চর্চা তুঙ্গে। প্রশ্ন উঠছে—পাঁচ বছর কাজের বাইরে থাকার পরই কি রাজনীতিতে পা রাখলেন তিনি?ইন্ডাস্ট্রিতে একসময় নিয়মিত মুখ হলেও গত কয়েক বছরে বড়পর্দা বা ছোটপর্দায় বিশেষ দেখা যায়নি শর্বরীকে। এই সময়টা নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কেউ বলছেন, কাজের অভাবেই তিনি রাজনীতির ময়দানে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও এই ধারণা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী নিজেই।শর্বরী স্পষ্ট জানিয়েছেন, “রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্তটা আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস এবং সমাজের জন্য কিছু করার ইচ্ছা থেকে। কাজ না থাকার জন্য নয়।” তাঁর মতে, একজন শিল্পী হিসেবেও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকে, আর সেই দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান।যাদবপুর কেন্দ্র বরাবরই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কেন্দ্রে প্রার্থী হিসেবে শর্বরীর নাম উঠে আসায় রাজনৈতিক মহলে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। তাঁর জনপ্রিয়তা ভোটে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।অন্যদিকে, সমর্থকদের একাংশ মনে করছেন, পরিচিত মুখ হওয়ায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা তাঁর পক্ষে সহজ হবে। আবার সমালোচকদের মতে, রাজনীতি কোনও বিকল্প ক্যারিয়ার নয়—এখানে অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিনের কাজের প্রয়োজন।সব মিলিয়ে, শর্বরী-এর এই নতুন ইনিংস ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। এখন দেখার, অভিনয়ের মঞ্চ ছেড়ে রাজনৈতিক ময়দানে তিনি কতটা সফল হতে পারেন এবং যাদবপুরের এই লড়াই শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়।